Monday , 23 October 2017
advertise
সর্বশেষ
তোপ থেকে বাঁচতে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর ‘জামায়াত ফরমুলা’!         ইতালীয় তরুণীকে বাঁচিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় এক বাংলাদেশি         ‘ইক্বামাতে দ্বীন’র বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক প্রপাগান্ডার আসল রহস্য !         রাস্তায় প্রসব ও নবজাতকের মৃত্যু হাসপাতালে, সেবা না পাওয়া অন্ত:স্বত্ত্বা নারীকে কেন ক্ষতিপূরণ নয় : হাইকোর্ট         এস কে সিনহা ও সরকার, কে কী হারাল         বড়লেখার মাদ্রাসা ছাত্রী তামান্না স্কলারশীপ পেলেন পোল্যান্ডের পুজানা ভার্সিটির         ফাঁসির দড়ি থেকে রাজনীতির মাঠে         মিয়ানমারে ২৮ টি গণকবর উদ্ধার         বার্মিজ সেনাদের ধর্ষণের শিকার নারীরা কাঁদছেন নীরবে গুমরে         প্রশ্নবানে জর্জরিত পাশা: অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলেনি সংবাদ সম্মেলনে        
হঠাৎ তৎপর ড. ইউনূস

হঠাৎ তৎপর ড. ইউনূস

দ্যা বিএনএনঃ  হঠাৎ করেই রোহিঙ্গা ইস্যুতে তৎপর হয়েছেন ড. মুহম্মদ ইউনূস। ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল জয়ের পর এই প্রথম শান্তির জন্য আকুতি জানালেন জাতিসংঘে। অথচ এর আগে সিরিয়ায় গণহত্যা, ইরাকে মানুষের আর্তনাদ, প্যালেস্টাইনে বর্বরতা নিয়ে তাঁকে সরব দেখা যায় নি। বাংলাদেশের বন্যাতেও তাঁর কোনো আহাজারি দেখিনি আমরা।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রথম দিকে তিনি নীরবই ছিলেন। যখনই বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিকতার হাত বাড়াল, তখনই নড়ে চড়ে বসলেন ড. ইউনূস। ইউনূস সেন্টার থেকে প্রথমে তাঁর নামে একটি বিবৃতি দেওয়া হলো। তারপর ১২ জন নোবেল জয়ীর নামে বিবৃতি এলো গত ১৩ সেপ্টেম্বর। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, শেখ হাসিনার শান্তিতে নোবেল জয় ঠেকাতেই ড. ইউনূসের এই তৎপরতা। শান্তিতে নোবেল জয়ীদের এই উদ্যোগের ফলে, শেখ হাসিনার কৃতিত্ব এবং উদ্যোগ ম্লান হবে এমন ভাবনা থেকেই ড. ইউনূস এই চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিটি পড়লে দেখা যাবে কোথাও বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকার প্রশংসা নেই, শুধু এক লাইনে বলা হয়েছে তিন লাখ শরাণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. ইউনূসের এই উদ্যোগ বিশ্ব মহলে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তিনি কোথাও বাংলাদেশ যে অসাধারণ মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে এমন কথা বলেন নি। বাংলাদেশের পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হলেও এ ব্যাপারে ইউনূস নীরব।

শুধু এই চিঠি দিয়েই ড. ইউনূস ক্ষান্ত হননি। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা এবং শরণার্থী সংস্থাকে ড. ইউনূস জানিয়েছে, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের যথাযথ স্বাস্থ্য ও জীবন নিরাপত্তা দিতে পারছে না। শরণার্থীদের মানবেতর ভাবে রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ এখানেও ড. ইউনূস বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনা যে বিশ্ব মানবতার নেত্রী হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছেন, এটাকে ম্লান করার জন্য ড. ইউনূস মাঠে নেমেছেন। লক্ষ্য একটাই শেখ হাসিনার নোবেল পুরস্কার ঠেকানো।

ইউনূস সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, ড. ইউনূস আগামী সপ্তাহে সুইডেন এবং নরওয়ে সফর করবেন। শেখ হাসিনা যাতে নোবেল পুরস্কার না পান, তাঁর লবিং এর অংশ হিসেবেই এই সফর বলে অনেকে মনে করছেন। ড. ইউনূস টেলিনরের মাধ্যমে নরওয়ের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। শুধু সুইডেন ও নরেওয়ে নয়, ড. ইউনূস ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকেও একই কাজে ব্যবহার করছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে নোবেল জয়ী ড. ইউনূস পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন না করার জন্য বিশ্বব্যাংককে চিঠি দিয়েছিলেন। তাঁর চিঠির উপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাংক প্রথমে অর্থায়ন স্থগিত এবং পরবর্তীতে বন্ধ করেছিল।

বাংলা ইনসাইডার